ভ্যাজাইনা

ভ্যাজাইনার সুস্থ্যতায় কি করবেন? ভ্যাজা্ইনা সুস্থ্য রাখতে কি করবেন?

নারীর স্বাস্থ্য, যৌন স্বাস্থ্য

Your ads will be inserted here by

Easy Plugin for AdSense.

Please go to the plugin admin page to
Paste your ad code OR
Suppress this ad slot.

(হেলথপাটনার.কম) আমরা এখনও মেয়েদের ব্যপারে উদাসীন। অথচ এরাই আমাদের পরম যত্নে মমতায় মায়ার বাধনে আপন করে রাখে। মেয়েদের কোন স্বাস্থ্য সমস্যায় সহজে কেউ ডাক্তারের কাছে যান না । অনেকে বলে থাকে লজ্জার বিষয় কি করে ডাক্তারকে বলবো ইত্যাদি ইত্যাদি। অসুস্থ্যতায় লজ্জা কোন বিষয় নয়। আপনাকে ভালো থাকতে হবে, সুস্থ্য থাকতে হবে। আপনার ভালো থাকার সাথে অন্য কেউ ভালো/ সুস্থ্য থাকার বিষয়টি যে জড়িত সেটা তো জানেন.! তাহলে আপনি কেন নিজেকে ভালো রাখবেন না?

স্বাস্থ্য সকল সুখের মুল একথাটি পরম সত্য। এখানো ছেলে মেয়ে কোন বেদাবেদ নাই। আজ মেয়েদের একটি গোপন অঙ্গ নিয়ে কথা বলবো। আজও এসব বিষয় নিয়ে কথা বলাটা অনেকে লজ্জার মনে করে থাকে। আসুন লজ্জা নয় নিজের ভালো থাকার অধিকারে জানতে হবে।

ভ্যাজাইনা
ভ্যাজাইনা

ভ্যাজাইনা সুস্থ্যতায় আপনি কি করবেন?

ভ্যাজাইনা বা যোনি একটি বিশেষ অঙ্গ। সঠিক পরিচর্যার অভাবে অনেকে জটিল রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। আমাদের দেশে মেয়েরা যোনির স্বাস্থ্য ও সুস্থতা নিয়ে তেমন একটা গুরুত্ব দেয়না। অনেকে জানেনা কিভাবে পরিচর্যা নিতে হয় ফলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন অজান্তেই । তাই লজ্জা নয় স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য আপনাকে আজ কিছু টিপস দেয়া হলো আশা করি মেনে চলবেন।

অন্তবাস পরিধান:

অনেকের অন্তবাস পরিধান করার অভ্যাস আছে। অন্তবাস পরিধান করলে সুতির অন্তবাস পরিধান করুন। সম্ভব হলে দিনে দু’বার আপনার অন্তবাস পরিবর্তন করুন।

রাতে অন্তবাস:

অনেকে রাতে অন্তবাস পরিধান করে ঘুমান। আপনার উচিত হবে রাতে অন্তবাস পরিধান না করা। এতে আপনার ভ্যাজাইনার স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

ভ্যাজাইনা মোছা:

প্রতিদিন যতবারই প্রসাব করবেন তারপর অবশ্যই পানি দ্বারা যোনি ধুয়ে নিবেন এবং টিসু বা পরিস্কার কাপড় দ্বারা মুছে নিবেন। মুছার নিয়ম হলো সামনের থেকে টিসুটি পিছনের দিকে নিয়ে যাবেন। এর উল্টো করতে যাবেন না।

পানি পান:

মেয়েরা অনেক সময় নানা ব্যস্ততায় পানি পানের কথা ভুলে যান। আপনার সুস্থ্যতার জন্য পানি খুব গুরুত্বপূর্ণ । তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। এতে ভ্যাজাইনা ও সুস্থ্য থাকবে। তাতে যোনির দুগন্ধও কমে যাবে।

ইনফেকশন:

অনেকে সাতাঁর কাটতে খুব ভালোবাসেন। সাতাঁর কাটা একটি ব্যায়াম, তবে সাতাঁর কাটার পর ভিজা কাপড়ে না থেকে তাড়াতাড়ি পরিধেয় পোষাক পরিবর্তন করুন। তানা হলে জমে থাকা পানিতে আপনার ভ্যাজাইনায় ইনফেশন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

পিএইচ ব্যালান্স:

দই একটি খুব ভালো খাবার। তাই নিয়ম করে দই খান। আপনি কি জানেন দইয়ে থাকা ব্যাকটিরিয়া ভ্যাজাইনা বা যোনির পিএইচ ব্যালান্স ধরে রাখতে যথেষ্ট সহায়তা করে থাকে, এছাড়াও ইষ্ট ইনফেকশন রোধ করে থাকে।

ভ্যাজাইনা সুস্থ্যতা
ভ্যাজাইনা সুস্থ্যতা

শাক-সবজি খান:

আপনি জানেন কি আয়রণযুক্ত শাকসবজি খেলে শরীরের রক্ত সরবরাহ বাড়ে, বিশেষ করে শরীরের পাশাপাশি যোনিতে ও রক্ত সরবরাহ বাড়ে এতে করে ভ্যাজাইনায় আদ্রতার ভারসাম্য বজায়া থাকে।

ভিটামিন সি:

আপনি নিশ্চয় জানেন, ভিটামিন সি মানব শরীরের জন্য খুবিই গুরুত্বপূর্ণ। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। তাই নিয়মিত ভিটামিন সি আছে এমন ফল-মুল খান।

ক্র্যানবেরি:

নিয়মিত ক্র্যানবেরি জুস খান। ক্র্যানবেরি জুস ভ্যাজাইনার পিএইচ ভারসাম্য রক্ষায় খুবই ফলদায়ক। অনেকে আছেন যাদের ইউরিনারি ট্র্যাক্টের ইনফেকশন রয়েছে, তারা এই জুসটি খেতে পারেন। অনেক উপকার পাবেন।

এক্সারসাইজ:

আজকাল কেউ আর কায়িক শ্রম করতে চায়না। একারণে ও আমাদের শরীরে নানা ধরণের রোগ-বালাই খুব সহজে বাসা বাধে। নিয়মিত এক্সারসাইজ করলে শরীর সুস্থ্য থাকে পাশাপাশি বিশেষ অঙ্গগুলি হয় শক্তিশালী। তবে হ্যাঁ মেয়েরা অনেক পরিশ্রম করে থাকে, তবে সেটা তো ব্যায়াম নয়, শরীরের সুস্থ্যতার জন্য ব্যায়াম একটি জরুরি বিষয়। নিয়মিত এক্সারসাইজ করলে শরীর মন দুটোই চাঙ্গা থাকে। মনে থাকে অফুরন্ত প্রাণ চান্সল্য। তাই সময় করে নিয়মিত এক্সারসাইজ করুন।

স্ট্রেস কমান:

স্ট্রেস শুধু মনকেই বিষন্ন করেনা, এতে শরীরের উপর প্রচুর প্রেসার পড়ে। শরীরের উপর চাপ কমান। নিজেকে চাপ মুক্ত করতে মাঝে মাঝে মুক্ত মনে ঘুরে বেড়ান। যেদিন ঘুরতে যাবেন সেদিন আর কোন কাজের প্রতি মন নিবেন না। মনে করবেন আজ আপনি সম্পূর্ণ  মুক্ত তাহলে দেখবেন মনে কতটা প্রশান্তি আসে। পরিবারের সাথে ঘুরতে গেলে অনেক আনন্দ পাবেন। পরিবারের উচিত সবাই মিলে ঘুরতে যাবার সময় করা। তাতে সবারই মন ভালো থাকবে।

  নিজে ভালো থাকুন অন্যকে ভালো থাকতে সহযোগিতা করুন।

Leave a Reply