সর্দি-কাশি ঘরোয়া উপায়ে তাড়াবেন যেভাবে

সর্দি-কাশি ঘরোয়া উপায়ে তাড়াবেন যেভাবে.

রোগ-ব্যাধি

Your ads will be inserted here by

Easy Plugin for AdSense.

Please go to the plugin admin page to
Paste your ad code OR
Suppress this ad slot.

(হেলথপাটনার.কম) এই ঠান্ডা মৌসুমে ঠান্ডা লাগা একটা কমনা স্বাস্থ্য সমস্যা। মাঝে মাঝে বৃষ্টির আচমকা আক্রমনেও ঠান্ডা লাগতে পারে। তার সাথে সর্দি কাশি তো আছেই। ঋতু বদলের সময়ে ও এমনটা অনেক সময় হয়ে থাকে। এখনকার বৈরি আবহাওয়া যেহেতু প্রতিকুলে তাই কিচু নিয়ম নীতি মেনে চললে এ থেকে অনেকটাই রেহাই পাওয়া যায়।

weather change
www.healthpatner.com

আমাদের শরীরটা আজকাল যেন নিজের কথা শুনতে চায় না। আসলে এটা আমাদের স্বাস্থ্য গত সমস্যা হয়ে দাড়ানোর কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের রুটিন বদলের ফল। এখন আর আমরা আগের মত পরিশ্রম করতে চাইনা। কায়িক শ্রম যেন আমাদের কাছ থেকে হারিয়ে গেছে । আর এজন্য আমাদের শরীরে ও নানা ধরণের রোগ-ব্যধি বাসা বাধতে শুরু করছে। তার সাথে আছে ভেজাল খাদ্য। কারণ আমাদের বিবেক আজ অন্ধ।

বার আসি মুল কথায়, স্বাস্থ্য টিপস এ আপনাদের এবার সর্দি-কাশির ঘরোয়া সমাধান…

গলা ব্যথা:

সর্দি-কাশি হলে গলা ব্যথা হয়ে থাকে বা শুকনো কাশি হলেও অনেক সময় গলা ব্যথা হয়। কি করবেন..?.. লবণ মিশ্রিত কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে গলগল করুন, খুব উপকার পাবেন ।

কাশি:

অনেক সময় ঠান্ডা লেগে সারারাত কস্ট পেতে হয়, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, বারে বারে কাশি উঠে।  কি করবেন..?.. ঘুমাতে যাবার আগে ১ চামচ মধু খেয়ে সুতে যাবেন তাতে আরাম পাবেন। অথবা আরেকটি কাজ করতে পারেন..

হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে নিয়ে ছোট ছোট সিপে খাওয়া যেতে পারে, তাতে ও আরাম পাবেন।

আদা:

আমরা সবাই আদার গুনাগুন সর্ম্পকে মোটামুটি জানি। ঠান্ডা-কাশিতে আদা চা খুব ভালো কাজে দেয়। আদা দিয়ে চা তৈরি করুন এবং শোওয়ার আগে খান তাতে কাশতে কাশতে ঘুম থেকে উঠতে হবেনা।

ঠান্ডায় নাক বন্ধ:

সর্দি লাগাতে অনেক সময় নাক বন্ধ হয়ে যায়, এতে ঘুমাতে ও কস্ট হয়। কি করবেন…?. নেজাল ড্রপ দিতে পারেন। এতে নাক বন্ধ ভাব অনেক টা কেটে যাবে। তাই সর্দি লাগলে নাক বন্ধ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে হাতের কাছে নেজাল ড্রপ রাখুন। আপনার পাশের ঔষধ দোকানেই পাবেন।

গরম পানি:

ঠান্ডায় নাক বন্ধ থাকলে গরম পানির ভাপ নিতে পারেন। এতে অনেকটা উপকার পাবেন।

 সর্দি, কাশি, বৃষ্টি, ডাক্তার
www.healthpatner.com

এই মিশ্রনটি পান করতে পারেন: 

উপকরণ: আদা, গোলমরিচ, তেজপাতা, দারুচিনি, মৌরি, তুলসিপাতা, লবঙ্গ

উপরোক্ত উপকরণ সমুহের প্রতিটি থেকে সামান্য পরিমাণ করে নিন এবং ২ কাপ পানি দিয়ে ভালো করে ফুটান। পানি যখন কমে আধা কাপ পরিমাণ হবে তখন নামিয়ে ছেঁকে নিন। এবার তালমিছরি যোগ করে খেতে পারেন মিশ্রনটি। অথবা এর সাথে সামান্য মধু ও যোগ করে পান করতে পারেন ধীরে ধীরে। এতে অনেকটা আরাম পাবেন।

ঠান্ডায় পরিধেয়:

ঠান্ডা অনেক সময় আমরা হালকা/পাতলা  কাপড় পরিধান করে থাকি। অনেক সময় ভাবতে পারি যে হালকা ঠান্ডা কি আর হবে। ভুলটা তখনিই হয়, যেহেতু বৈরি আবহাওয়া তাই ঠান্ডা কে অবহেলা না করে গরম কাপড় সাথে রাখুন। ঠান্ডা হাত থেকে বাচতে ঘুমাতে যাবার আগে গরম কাপড় পড়ে ঘুমাতে যান।

গোসল না করা:

শীত আসলে অনেকে ঠান্ডার ভয়ে গোসল করতে চায়না। এটা একটা ভুল ধারণা তাতে ঠান্ডা আরো বেশি লাগে। এক্ষেত্রে নিয়িমিত গোসল করুন হালকা গরম পানিতে, তাতে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। শরীরে রোগ-জীবানু বাসা বাধতে পারবেনা।

পানি পান:

ঠান্ডায় অনেকে পরিমাণ মতো পানি পান করিনা। ঠান্ডা লাগার ভয়ে। তাতে পানি শুন্যতায় পড়ে শরীর। তাই নিয়মিত এবং পরিমাণ মতো পানি পান করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি কুসুম কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন। পানিকে এমন পরিমান গরম করুন বা গরম পানিকে এমন পরিমাণ ঠান্ডা পানি মিশ্রিত করুন যাতে পানির ঠান্ডা ভাবটা চলে যায়, এতে আপনার পানি পানের তৃপ্তিতে ঘাটতি হবেনা।

নিজের প্রতি খেয়াল না করা:

ঠান্ডায় নিজের এবং পরিবারের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। কেননা সামান্য ঠান্ডায় নিজেকে পরিবারের লোকজন কেন কষ্ট পাবে। একটু সর্তকতায় সবাই ভালো থাকতে পারলে কেন আমরা একটু সর্তক হতে ক্ষতি কোথায়? বিশেষ শিশুদের প্রতি খেয়াল রাখুন। আমরা চাই সবাই সুস্থ্য থাকুক।

  নিজে ভালো থাকুন অন্যকে ভালো থাকতে সহযোগিতা করুন।

Leave a Reply